Photosyntheses and Respiration for competetive exam

সালোকসংশ্লেষ ও শ্বসন
1. কোষ ও সালোকসংশ্লেষ (photosynthesis)

কোষ ও সালোকসংশ্লেষ (photosynthesis): Photosyntheses and Respiration
  • কোষের আবিষ্কর্তা রবার্ট হুক। ১৯৬৫ সালে ।
  • জীব দেহের গঠনগত ও কার্যগত একককে বলা হয় কোষ।
  • কোষের শক্তিঘর বলা হয়- মাইট্রোকন্ডিয়াকে (শক্তি উৎপন্ন হয় বলে)
  • সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন অক্সিজেনের উৎস হল –  জল
  • সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন গ্লুকোজ অণুর অক্সিজেনের উৎস হল –CO2 ( কার্বন ডাই-অক্সাইড) 
  • সালোকসংশ্লেষের আদর্শ স্থল  –পাতা 
  • সালোকসংশ্লেষের  সঙ্গে জড়িত কোষ অঙ্গাণুটি হল –   ক্লোরোপ্লাস্ট   
  • সালোকসংশ্লেষের আলোক বিক্রিয়া ঘটে  – গ্রানায়    
  • সালোকসংশ্লেষের অন্ধকার দশা ঘটে ক্লোরোপ্লাস্টের – স্ট্রোমায়   
  • সবুজ পাতার কোন কলায় সালোকসংশ্লেষ ঘটে –    মেসোফিল কলা  
  • সালোকসংশ্লেষ ঘটে –    ক্লোরোপ্লাষ্টিডে   
  • কোষ তিন প্রকার –
    • প্রক্যারিওটিক (নিউক্লিয়াসবিহীন) –ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ শৈবাল )
    • ইউক্যারিওটিক (নিউক্লিয়াস যুক্ত)-উন্নত শ্রেণির সব উদ্ভিদ এর প্রাণীর কোষ
    • মেসোক্যারিওটিক (উপরের দুটো কোষের সমন্বয়)
  • প্রানি ও উদ্ভিদ কোষে বিভিন্ন পর্দাবেষ্টিত কোষ অঙ্গাণু থাকে। 
    • ব্যাতিক্রম- রাইবোজোম- পর্দাবিহীন কোষ অঙ্গাণু 
  • কোষ অঙ্গাণু যেগুলি উদ্ভিদ ও প্রানিকোষে উভয় কোষে থাকে।– মাইটোকন্ড্রিয়া, রাইবোজোম, লাইসোজোম, গলগি বডি , নিউক্লিয়াস,
  • কোষ অঙ্গাণু যেগুলি কেবলমাত্র প্রানিকোষে থাকে।– সেন্ট্রোজোম
  • কোষ অঙ্গাণু যেগুলি কেবলমাত্র উদ্ভিদ কোষে থাকে।– প্লাস্টিড, লার্জ সেন্ট্রাল ভ্যাকূয়াল।
  • বৃহত্তম কোষ– উটপাখির ডিম
  • ক্ষুদ্রতম কোষ– মাইকোব্যাক্টেরিয়াম গ্যালিসেপ্টিকাম( এক-কোষী ব্যাকটেরিয়া)
  • চলবে…
  • সম্পূর্ন পোষ্টটি দেখতে নিচে দেওয়া pdf ফাইলটি ডাউনলোড করুন।
2. শ্বসন [Respiration]
শ্বসন [Respiration]: Photosyntheses and Respiration
  • শ্বসন এক প্রকার       অপচিতি বিপাক (Catabolic metabolism)  
  • প্রধান শ্বসন বস্তুটি হল –         গ্লুকোজ    
  • কোষের শক্তিঘর হল –          মাইটোকনড্রিয়া (Mitochondria)     \
  • শ্বসনে শক্তি উৎপন্ন হয় মূলত নীচের কোন অণু থেকে ?    গ্লুকোজ   
  • কোন জৈবিক ক্রিয়ায় জীব O2 গ্রহন করে ও CO2 ত্যাগ করে ?     শ্বসন  
  • কোন প্রকার শ্বসনে অজৈব অক্সাইড (NO−3NO3−) দরকার হয় ? অবাত শ্বসনে   
  • ঈস্টে কোন প্রকার শ্বসন ঘটে –   কোহল সন্ধান (Alcoholic Fermentation)  
  • সবাত শ্বসন (Aerobic Respiration) ঘটে কোষের –     সাইটোপ্লাজম ও  মাইটোকনড্রিয়ায়    
  • অবাত শ্বসন (Anaerobic Respiration) ঘটে কোষের –  সাইটোপ্লাজমে   
  • সকল প্রকার শ্বসনের সাধারণ পর্যায়টি হল-       গ্লাইকোলাইসিস(Glycolysis)     
  • গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) প্রক্রিয়াটি ঘটে কোষের –  সাইটোপ্লাজমে    
  • গ্লাইকোলাইসিসে (Glycolysis) উৎপন্ন হয় –      পাইরুভিক অ্যাসিড  
  • পাইরুভিক অ্যাসিড কোন প্রক্রিয়ার সবশেষে উৎপন্ন হয় ? গ্লাইকোলাইসিস(Glycolysis)  
  • ক্রেবস-চক্র (Krebs cycle) বা সাইট্রিক অ্যাসিড চক্র ঘটে কোষের –       মাইটোকনড্রিয়ায় (Mitochondria)    জীবের শ্বসন ক্রিয়ায় গৃহিত গ্যাসটি হল-   O2    
  • জীবের শ্বসন ক্রিয়ায় নির্গত গ্যাসটি হল-   CO2     
  • শ্বসনে উৎপন্ন শক্তি হল –        তাপশক্তি বা গতিশক্তি      
  • শ্বসন প্রক্রিয়াটি ঘটে-            কোষের ভিতরে     
  • তাপশক্তি ও আলোক শক্তি উভয়ই উৎপন্ন হয় –  দহনে (Combustion) 
  • কোন প্রক্রিয়ায় শক্তির দ্রুত মুক্তি ঘটে ?         দহন (Combustion)   
  • শ্বসনকালে নির্গত CO2 গ্যাসের আয়তন ও গৃহিত O2 গ্যাসের আয়তনকে বলে –             RQ. (Respiratory Quotient)  
  • কোন প্রকার শ্বসনে বায়বীয় অক্সিজেন (O2) প্রয়োজন হয় ?       সবাত শ্বসনে(Aerobic Respiration) 
  • ঐচ্ছিক পেশিকোষে অবাত শ্বসনের ফলে উৎপন্ন হয়-      ল্যাকটিক  অ্যাসিড    
  • অতিরিক্ত পরিশ্রমের সময় পেশিকোষে কোন অ্যাসিড উৎপন্ন হওয়ায় পেশি সাময়িকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ে ?      ল্যাকটিক অ্যাসিড  
  • চলবে…
  • সম্পূর্ন পোষ্টটি দেখতে নিচে দেওয়া pdf ফাইলটি ডাউনলোড করুন।
সালোকসংশ্লেষ এবং শ্বসন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন-উত্তর
সালোকসংশ্লেষ এবং শ্বসন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন-উত্তর: Photosyntheses and Respiration
1যে জৈবিক প্রক্রিয়ায় কোষমধ্যস্থ খাদ্য জারিত হয়ে খাদ্যস্থ  স্থৈস্তিক শক্তি গতিশক্তিতে পরিণত হয় তাকে শ্বসন (Respiration) বলে ।
2শ্বসনের (Respiration) মূল উদ্দেশ্য হল খাদ্যস্থ স্থৈতিক শক্তিকে গতিশক্তিতে পরিনত করা ।
3জীব শ্বসনে (Respiration) উৎপন্ন তাপশক্তি বা গতিশক্তি ব্যয় করে দেহের বিভিন্ন জীবন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ।
4শ্বসন (Respiration) শেষে তাপশক্তি বা গতিশক্তি নির্গত হয় ।
5প্রত্যেক সজীব কোষে দিবারাত্র (অবিরাম) শ্বসন (Respiration) ঘটে ।
6শ্বসনের (সবাত শ্বসন) প্রথম পর্যায় অর্থাৎ গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) কোষের সাইটোপ্লাজমে এবং দ্বিতীয় পর্যায় অর্থাৎ ক্রেবস-চক্র (Krebs Cycle) কোষঅঙ্গাণু মাইটোকনড্রিয়ায় (Mitochondria) ঘটে ।
7যে যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রাণীদেহে শ্বাস গ্রহন (প্রশ্বাস) (Inspiration) ও শ্বাস ত্যাগ (নিশ্বাস) (Expiration) কার্য সম্পন্ন হয় তাকে শ্বাসকার্য (Breathing) বলে ।
8শ্বাসকার্যে (Breathing) শক্তির রূপান্তর ঘটে না, কেবল গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে ।
9প্রাণীদের প্রধান শ্বসন বস্তুটি হল গ্লুকোজ ।
10শ্বাসকার্যের (Breathing) দুটি পর্যায় , যথা (i) প্রশ্বাস (শ্বাস গ্রহন)  ও (ii) নিশ্বাস (শ্বাস ত্যাগ) ।
11জীবের শ্বসনের (Respiration) জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে গ্রহন করে ।
12শ্বসন প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে ।
13শ্বসন প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে CO2 (কার্বন ডাই-অক্সাইড) -এর পরিমাণ বাড়ে ।
14সবুজ উদ্ভিদে দিনের বেলায় CO2 (কার্বন ডাই-অক্সাইড) গ্যাস উৎপন্ন হয় ।  কারণ প্রতিটি সজীব কোষে দিনরাত শ্বসন ক্রিয়া চলে ।
15গাছের সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে CO2 (কার্বন ডাই-অক্সাইড) এর ঘাটতি হয় এবং শ্বসন ক্রিয়ায় তার পূরণ ঘটে ।
16শ্বসন প্রধানত দুই প্রকার – যথা  (i) সবাত শ্বসন (Aerobic Respiration)  (ii) অবাত শ্বসন (Anaerobic Respiration) ।
17সবাত শ্বসনে (Aerobic Respiration) কোষস্থ খাদ্যবস্তুর সম্পূর্ণ জারণ ঘটে ।
18  সবাত শ্বসনে (Aerobic Respiration)মুক্ত বা বায়বীয় অক্সিজেন প্রয়োজন ।
19  সবাত শ্বসনের প্রথম পর্যায়টি হল গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) বা EMP- পথ এম্বডেন মেয়ারহফ পারনাস (Embden Mayerhof Parnes) এবং দ্বিতীয় পর্যায়টি হল ক্রেবস-চক্র (Krebs Cycle) বা সাইট্রিক অ্যাসিড চক্র বা TCA-চক্র  ।
20  সবাত শ্বসনের (Aerobic Respiration) প্রথম পর্যায় গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) কোষের সাইটোপ্লাজমে ঘটে এবং দ্বিতীয় পর্যায় ক্রেবস-চক্র (Krebs Cycle) কোষের  মাইটোকনড্রিয়ায় (Mitochondria) ঘটে ।
21সবাত শ্বসনে (Aerobic Respiration) এক গ্রাম অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারিত হলে 686 K.Cal পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় ।
22যে কোষঅঙ্গাণুর মধ্যে সবাত শ্বসন (Aerobic Respiration) ঘটে তা হল মাইটোকনড্রিয়া (Mitochondria) ।
23সবাত শ্বসনের প্রথম পর্যায় গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) কোষের সাইটোপ্লাজমে ঘটে ।
24  ক্রেবস-চক্রে (Krebs Cycle) উৎপন্ন একটি ট্রাইকার্বক্সিলিক অ্যাসিডের নাম হল সাইট্রিক অ্যাসিড ।
25ক্রেবস-চক্র (Krebs Cycle) প্রক্রিয়ার প্রথম জৈব অম্ল -এর নাম সাইট্রিক অ্যাসিড ।
26  সবাত শ্বসনের ক্রেবস-চক্র (Krebs Cycle) পর্যায়টি  মাইটোকনড্রিয়ায় (Mitochondria) ঘটে ।
27যে কোষঅঙ্গাণুর অভাবে জীবদেহে সবাত শ্বসন ব্যাহত হবে তা হল মাইটোকনড্রিয়া (Mitochondria) ।
28RBC তে মাইটোকনড্রিয়া (Mitochondria) না থাকে সবাত শ্বসন হয় না ।
29মাইটোকনড্রিয়ার (Mitochondria) প্রধান কাজ হল কোষীয় শ্বসন (বিশেষত ক্রেবস-চক্র) (Krebs Cycle) পরিচালনার মাধ্যমে ATP উৎপাদন ও শক্তি নির্গমন করা ।
30একটি সজীব কোষের সকল মাইটোকনড্রিয়া (Mitochondria) নষ্ট হলে সবাত শ্বসনের ক্রেবস-চক্র (Krebs Cycle) ঘটবে না ।
31এক অণু গ্লুকোজ সবাত শ্বসনে সম্পূর্ণ জারিত হয়ে 38 অণু ATP উৎপন্ন করে ।
32গ্লাইকোলাইসিসের (Glycolysis) শেষে 2 অণু ATP উৎপন্ন হয় ।
33ক্রেবস-চক্রে (Krebs Cycle) 24 অণু ATP উৎপন্ন হয় ।
34অবাত শ্বসন কোষের সাইটোপ্লাজমে ঘটে ।
35এক অণু গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোলাইসিসের (Glycolysis) শেষে 2 অণু পাইরুভিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয় ।
36গ্লাইকোলাইসিসের (Glycolysis) অপর নাম EMP পথ বা এম্বডেন মেয়ারহফ পারনাস (Embden Mayerhof Parnes) পথ ।
37ক্রেবস-চক্রের (Krebs Cycle) অপর নাম সাইট্রিক অ্যাসিড চক্র বা TCA চক্র বা ট্রাইকার্বক্সিলিক অ্যাসিড চক্র ।
38সবাত ও অবাত শ্বসনের সাধারণ পর্যায়টি হল গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) ও সর্বশেষ উৎপন্ন পদার্থটি হল পাইরুভিক অ্যাসিড ।
39যে উদ্ভিদে অবাত শ্বসন ঘটে তা হল ঈস্ট এবং যে প্রাণীদেহে অবাত শ্বসন ঘটে তা হল ফিতাকৃমি ।
40ডিনাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়া, মিথেন ব্যাকটেরিয়া ও সালফার ব্যাকটেরিয়ার দেহে অবাত শ্বসন ঘটে ।
41অবাত শ্বসনের ফলে উদ্ভিদকোষে ইথাইল অ্যালকোহল (C2H5OH) ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয় আর প্রাণীকোষে ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয় ।
42 অবাত শ্বসনের ফলে মানবদেহের ঐচ্ছিক পেশিকোষে ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয় ।
43 অবাত শ্বসনে যেসব অক্সিজেনযুক্ত যৌগ (অজৈব অক্সাইড) অংশ নেয় তার মধ্যে দুটি হল NO−3NO3− (নাইট্রেট) ও SO=4SO4= (সালফেট) ।
44  যে প্রাণী বায়ুশূন্য স্থানে শ্বসন চালাতে পারে তা হল মনোসিস্টিস (প্রাণী) এবং  যে উদ্ভিদ বায়ুশূন্য স্থানে শ্বসন চালাতে পারে তা হল ঈস্ট (ছত্রাকজাতীয় উদ্ভিদ) ।
45  বীজের অঙ্কুরোদগমের সময় উদ্ভিদে অবাত শ্বসন হয় ।
46  আণুবীক্ষনিক ছত্রাক (ঈস্ট) ও ব্যাকটেরিয়া জাতীয় জীবে শ্বসনের সন্ধান (Fermentation) ঘটে ।
47কোহল সন্ধানে সাহায্যকারী একটি উৎসেচকের (Enzyme) নাম হল জাইমেজ ।
48  সন্ধানকারী একটি ব্যাকটেরিয়ার নাম ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং ছত্রাকের নাম ঈস্ট  ।
49  যে এক কোষী ছত্রাক মিষ্টি রসকে গাঁজিয়ে দেয় তার নাম ঈস্ট ।
50কোহল সন্ধানে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাস উৎপন্ন হয় ।
51  ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়ায় ল্যাকটিক অ্যাসিড সন্ধান (Fermentation) ঘটে ।
52  ল্যাকটিক অ্যাসিড সন্ধানে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাস উৎপন্ন হয় না ।
53  কয়েকটি সন্ধানীকৃত দ্রব্যের নাম হল সুরা বা অ্যালকোহল, ভিনিগার, ল্যাকটিক অ্যাসিড, দই, ইডলি, ধোসা ।
54  প্রাণীদেহে শ্বসনের বিপরীত জৈবিক প্রক্রিয়াটি হল সালোকসংশ্লেষ ।
55উদ্ভিদের কোনো নির্দিষ্ট শ্বাসঅঙ্গ নেই । তবে পত্ররন্ধ্র (Stomata) ও সেন্টিসেল (Lenticell) দিয়ে উদ্ভিদ শ্বাসকার্য (Breathing) চালায় ।
56  জলে নিমজ্জিত উদ্ভিদ শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সালোকসংশ্লেষ নির্গত অক্সিজেন ও জলে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহন করে ।
57পূর্ণ নিমজ্জিত জলজ উদ্ভিদে শ্বসনে প্রয়োজনীয় গ্যাসের আদানপ্রদান ঘটে সমগ্র উদ্ভিদদেহ দ্বারা ব্যাপন ক্রিয়ার মাধ্যমে ।
58  সুন্দরী, গরাণ, গেঁও, কেওড়া প্রভৃতি লবণাম্বু উদ্ভিদে শ্বাসমূল বা নাসিকামুল বা নিউম্যাটোফোর (Pneumatophore)
59  গুল্ম ও বৃক্ষজাতীয় কাণ্ডের ত্বকে অবস্থিত যে সকল ডিম্বাকার ছিদ্রের মাধ্যমে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে তাদের লেন্টিসেল বলে ।
60
61 আঙ্গুরের রসে গ্লুকোজ থাকে । খোলা বাতাসে রাখলে ইহা সন্ধান (Fermentation) প্রক্রিয়ায় ইথাইল অ্যালকোহল (C2H5OH)  তৈরি করবে ও দ্রবণটি গেঁজে উঠবে
62  উদ্ভিদের দুটি শ্বাসঅঙ্গের নাম পত্ররন্ধ্র (Stomata) ও লেন্টিসেল (Lenticell) ।
63  প্রহরীকোষ বা রক্ষীকোষ থাকে পাতার পত্ররন্ধ্রে (Stomata)
64 যে দুটি অঙ্গ প্রাণীর শ্বাসকার্যে (Breathing) সাহায্য করে তা হল ফুলকা (Gills) (জলজ পরিবেশে) ও ফুসফুস (Lung) (স্থলজ পরিবেশে) ।
65  কেঁচো ও জোঁকের (প্রাণী) ত্বক প্রধান শ্বাসঅঙ্গের কাজ করে ।
66  কেঁচো তার ভিজে ত্বকের মাধ্যমে পরিবেশের সঙ্গে গ্যাসের আদানপ্রদান ঘটায় ।
67  মানুষের প্রধান শ্বাসঅঙ্গ হল তার একজোড়া ফুসফুস ।
68  তিমি ও ডলফিনের শ্বাসঅঙ্গ হল ফুসফুস ।
69  কুমির ও টিকটিকির শ্বাসঅঙ্গ হল ফুসফুস ।
70  অ্যামিবা, স্পঞ্জ ও হাইড্রা (প্রাণীরা) সমগ্র দেহতল দিয়ে গ্যাসীয় পদার্থের আদানপ্রদান ঘটায় ।
71পতঙ্গ শ্রেণির প্রাণী আরশোলা, প্রজাপতি, ফড়িং প্রভৃতি বায়ুনালি বা ট্রাকিয়ার সাহায্যে শ্বাসকার্য (Breathing) চালায়
72  পতঙ্গদের  দশজোড়া শ্বাসছিদ্র বা স্পিরাকল আছে ।
73আরশোলার ট্রাকিয়া বা শ্বাসনালিগুলি যে ছিদ্র দ্বারা পরিবেশের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে তাকে শ্বাসছিদ্র বা স্পাইরাকল বলে
74ট্রাকিয়া বা শ্বাসনালি শ্বাসঅঙ্গের সাহায্যে O2 (অক্সিজেন) সরাসরি কোষে প্রবেশ করে ।
75পতঙ্গদের রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক না থাকায় এদের রক্ত শ্বাসবায়ু পরিবহন করে না ।
76মাছের শ্বাসঅঙ্গের নাম ফুলকা (Gills)।
77তিমি, কুমির, কচ্ছপ প্রভৃতি জলজ প্রাণীর শ্বাসঅঙ্গ হল ফুসফুস ।
78চিংড়ি ও রাজ কাঁকড়ার শ্বাসঅঙ্গের নাম বুক-গিল বা বই ফুলকা (Gills) ।
79মাকড়সা ও কাঁকড়াবিছের শ্বাসঅঙ্গের নাম বুক লাং (Booklung)বা বই ফুসফুস ।
80কই, শিঙি ও মাগুর মাছের অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র থাকে  ।
81অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র থাকায় কই মাছ বা মাগুর মাছ (জিওল মাছ) বায়ু থেকে অক্সিজেন গ্রহন করতে পারে বলে ডাঙ্গায় অনেকক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে  ।
82পক্ষীশ্রেণির প্রাণীর  যেমন- পায়রার  ফুসফুসে এয়ারস্যাক বা বায়ুথলি থাকে ।
83পায়রার দেহে 9 টি বায়ুথলি বা এয়ারস্যাক  থাকে ।
84ব্যাঙাচির শ্বাসঅঙ্গের নাম বহিঃফুলকা (External Gills) ।
85ফুসফুসের আবরণের নাম প্লুরা ।
86মানব শ্বসনতন্ত্রের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাই -তে গ্যাসীয় পদার্থের আদানপ্রদান ঘটে ।
87ব্যাঙ (মেরুদন্ডি প্রাণী) জলে ও স্থলে উভয় পরিবেশেই শ্বাসক্রিয়া (Breathing) চালাতে সক্ষম  ।
88অ্যালভিওলাই থাকে ফুসফুসে ।
89মানুষের দুটি শ্বাস পেশির নাম হল মধ্যচ্ছদা ও ইন্টারকস্টাল (পঞ্জরমধ্যস্থ) ।
90একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মিনিটে 14-18 বার শ্বাসকার্য চালায় । (শিশুদের শ্বসনহার অপেক্ষাকৃত বেশি, মিনিটে 45-50 বার ) ।
91দুটি শ্বাস রঞ্জকের উদাহরণ হল হিমোগ্লোবিন ও হিমোসায়ানিন ।
92অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠিত হয়ে রক্তে অক্সিজেন পরিবাহিত হয় ।
93শীত ঘুমের সময় ব্যাঙ ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য (Breathing) চালায় ।
94সবাত শ্বসনে RQ (Respiratory Quotient) -এর মান 1 এবং অবাত শ্বসনে RQ (Respiratory Quotient) -এর মান অসংজ্ঞাত ।
95মুক্ত অক্সিজেন ছাড়াই শ্বসন হয় এমন একটি প্রাণীর নাম হল ফিতাকৃমি ।
96শ্বসনে এক অণু গ্লুকোজকে সম্পূর্ণরূপে জারিত করতে 6 অণু অক্সিজেন প্রয়োজন হয় ।
97মানুষের শ্বাসকেন্দ্র  মস্তিষ্কের মেডালা অবলংগাটা ও  পনসে অবস্থিত
98গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) ও ক্রেবস চক্রের (Krebs Cycle) মধ্যে যোগসুত্র রচনা করে অ্যাসিটাইল কো (2-C যুক্ত যৌগ) ।
99অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় সবাত শ্বসনে ATP সৃষ্টি হয় ।
100 অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ঘটে সবাত শ্বসনের শেষ পর্যায় প্রান্তীয় শ্বসনে ।
101R.Q. -এর পুরো নাম হল রেসপিরেটরি কোশেন্ট  (Respiratory Quotient) ।
102গ্লুকোজের অসম্পূর্ণ জারণের জন্য অবাত শ্বসনে কম শক্তি উৎপন্ন হয় ।
103কই মাছের অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র ফুলের মত ।
104মাগুর মাছের অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র বৃক্ষাকার বলে একে শ্বাসবৃক্ষ বলে ।
105আরশোলার বক্ষ ও উদর অংশ জলে ডুবিয়ে রাখলে আরশোলাটি শ্বাসকার্য চালাতে পারবে না । কারণ বক্ষ ও উদর অংশের দু’পাশে অবস্থিত শ্বাসরন্ধ্রগুলি বন্ধ হয়ে যাবে ।
106অবাত শ্বসন কোষের সাইটোপ্লাজমে ঘটে ।
107ATP কে এনার্জি কারেন্সি বলে ।
108শ্বসনে কোষের শুষ্ক ওজন কমে ।
109মাইটোকনড্রিয়াকে (Mitochondria) কোষের শক্তিঘর বলে
110সন্ধান (Fermentation) এক বিশেষ ধরনের অবাত শ্বসন ।
111শ্বসন এক প্রকার অপচিতি বিপাক (Catabolic metabolism) ।
112ট্রাকিয়া পতঙ্গ শ্রেণির প্রাণীদের প্রধান শ্বাস অঙ্গ ।
113মধ্যচ্ছদা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শ্বাসকার্যে (Breathing) সাহায্য করে ।
114TCA চক্রের প্রথম জৈব অম্ল হল সাইট্রিক অ্যাসিড ।
115শ্বাসমূল (Pneumatophore) দেখা যায় লবণাম্বু উদ্ভিদে ।
116পেশির ক্লান্তি ঘটায় ল্যাকটিক অ্যাসিড ।
117পেশিকোষে অবাত শ্বসনের ফলে উৎপন্ন পদার্থটির নাম ল্যাকটিক অ্যাসিড ।
118পতঙ্গের রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক থাকে না, তাই এদের রক্ত শ্বাসবায়ু পরিবহন করে না ।
119জলজ প্রাণীদের প্রধান শ্বাসঅঙ্গ হল ফুলকা (Gills) ও স্থলজ প্রাণীদের প্রধান শ্বাসঅঙ্গ হল ফুসফুস (Lung) ।
120 জিওল মাছের অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র থাকে ।
121ঈস্ট নামক এককোষী ছত্রাকে কোহল সন্ধান (Alcoholic Fermentation) ঘটে ।
122অ্যালভিওলাই পাওয়া যায় ফুসফুসে ।
123আরশোলার দেহের দু-পাশে মোট দশজোড়া শ্বাসছিদ্র বর্তমান
124শ্বসন প্রক্রিয়ায় খাদ্যস্থ স্থৈতিক শক্তি তাপশক্তি রূপে মুক্ত হয়
125পরিবেশে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের সমতা বজায় রাখতে সালোকসংশ্লেষ ও শ্বসন প্রক্রিয়া সাহায্য করে ।
126গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) হল সবাত শ্বসন, অবাত শ্বসন ও সন্ধানের সাধারণ পর্যায় ।
127গ্লাইকোলাইসিসে (Glycolysis) গ্লুকোজের অসম্পূর্ণ জারণ ঘটে ।
128স্তন্যপায়ীর RBC -তে গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis) প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন হয় ।
129শ্বসনে উৎপন্ন দুষণকারক গ্যাসটি হল CO2 (কার্বন ডাই-অক্সাইড) । 

Post a Comment

0 Comments